পোস্টগুলি

ছবি দেখে কবিতা লিখিবিষয় : কেমনে বান্ধিযা রাখি বাউলএই মনটারেশিরোনাম: মানসলোকেকলমে : মাধবী রায়তারিখ : 11/04/2021আমার যখন মেয়েবেলারোজ আসতে, একতারা তে সুর তুলতেমা বলত - বৈষ্ণবী।তুমি পড়তে গেরুযা শাড়ি,রুদ্রাক্ষের মালা।কপালে আঁকতে তিলক, চুল চূড়ো করা।অবনত মুখের আধো হাসি দেখেন-পিসি বলত, অপূর্ব বৈরাগ্য মাখা বৈরাগী।আমাদের মাটির দাওয়াতে বসে সুদীর্ঘ শ্বাস ফেলেতুমি বলতে রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ আমার ঐ কাচা বযসে মায়া জাগত ,রাধা কৃষ্ণকে খুঁজতাম রোজ সন্ধ্যায় উদার আকাশের তারায় তারায়। হঠাৎই তোমাকে, আসতে দেখছি না,বুঝলাম না !শুনলাম তুমি আছো আস্তানায!হে অপূর্ব বৈরাগ্য মাখা বৈরাগী ,আমার মানসলোকেই তোমার প্রকৃত আস্তানা।

মানস লোকে

ছবি দেখে কবিতা লিখি বিষয় : কেমনে বান্ধিযা  রাখি বাউলএই মনটারে শিরোনাম: মানসলোকে কলমে : মাধবী রায় তারিখ : 11/04/2021 আমার  যখন  মেয়েবেলা রোজ আসতে, একতারা তে  সুর তুলতে মা বলত - বৈষ্ণবী। তুমি পড়তে গেরুযা শাড়ি,রুদ্রাক্ষের  মালা। কপালে আঁকতে  তিলক, চুল চূড়ো  করা। অবনত  মুখের  আধো  হাসি দেখে ন-পিসি  বলত,  অপূর্ব  বৈরাগ্য  মাখা বৈরাগী। আমাদের মাটির  দাওয়াতে বসে সুদীর্ঘ  শ্বাস  ফেলে তুমি বলতে রাধে রাধে কৃষ্ণ  কৃষ্ণ  আমার  ঐ কাচা বযসে  মায়া  জাগত , রাধা কৃষ্ণকে  খুঁজতাম  রোজ  সন্ধ্যায়  উদার  আকাশের  তারায়  তারায়।  হঠাৎই  তোমাকে, আসতে  দেখছি না, বুঝলাম  না !শুনলাম  তুমি  আছো  আস্তানায! হে অপূর্ব  বৈরাগ্য  মাখা  বৈরাগী , আমার  মানসলোকেই  তোমার  প্রকৃত  আস্তানা।

দুঃখ

 দুঃখ - তুমি কে? দুঃখ  বলল  আমি কবি, আমি জীবন, আমি বর্ষা  ভয় পেও  না আমি ই আসল তোমার  জীবনের ভরসা  অবশেষে   বলো কি? গ্রীষ্মের  দাবদাহ   এক্কেবারে  আগুন  অনেক  চেষ্টার  পর দেখি!! তোমাকে জ্বালাতে   পারিনি !!! আমি দুঃখ  - তোমাকে পাথর করতে পেরেছি। 

পাথর

 দুঃখে কষ্টে পাথর হয়েছে যে, পাথর দেখলে , নির্ভীক   হয়। ভালোবাসাকে  ভয় পায়, মায়া  বিব্রত  করে তারে। অনেক  কষ্টে  শিখে গেছে সে কিভাবে  একান্তে  ,একাই  আনন্দে  বাঁচতে  হয়।।

মিলন

ছবি দেখে  কবিতা  লিখি  বিষয়: ছন্দে  ছন্দে  মন  আনন্দে  শিরোনাম: -মিলন  মাধবী  রায়  1/4/2021 প্রকৃতি  তুমি  সজ্জিত  আজ                     রঙিন  সাজে।  তোমার  মাঝে  বুঝি                 বসন্ত  রাজা বিরাজে? শীতের  শীতলতা              যত অলসতা হারিয়ে অঙ্গে আমার, মন মযূরী  পেখম  দিয়েছে ছড়িয়ে।  কোকিলের  কুহূ  কুহূ  তানে  ফাগুনের  আগুন  লাগে, মনে। ওলো  সখী , আয় ছুটে আয়, বিরহ দহনে  আমি,পাগলের  প্রায়।  কেমনে  পাইব  তারে!   দে সাজিয়ে দে ,নানা ফুলের  সাজে। কবরীতে  দে ,বেল ফুলের মালা ওষঠ  রাঙাবি  কিংশুক  রঙা,  গলায়  পড়ব  অশোকের  মালা, হাতে  নেব লাল আবিরের  ডালা, রক্তিম  লাল বসন  পড়ব।  বসন্ত  বাতাসের  ...

পরিচয়

খুব সাধারন নিম্ন মানের রুচি বুঝতে দেয় না,কেবল ছড়ায় হাসি। কথায় কথায় দুঃখ করে,করে হা হুতাশি আপনি  তখন আগলে ধরেন,সাহস যোগান সময় দিয়ে সবল করেন, বন্ধু ভাবেন! মরা মনে বান আসে তার,ফুলে ফেঁপে যায় যে ভেসে অনেক অনেক অনেক দূরে। আপনি কেবল অবহেলায় পরে থাকেন, মনের তাপে পুড়তে  পুড়তে  বুঝতে শেখেন। খুব সাধারন নিম্ন মানের রুচি।

অভীপ্সামাধবী রায়আজ এক ইচ্ছের আনাগোনা চলছে,চলছে এক অস্থিরতা। বুকের ভিতর হামলদিস্তায় ইচ্ছা-অনিচ্ছা গুলো গুড়ো গুড়ো হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে শিরায় শিরায়। এই পারা, আর না পারার কাহিনীর সাক্ষী রাখতে চাইছি লেখনীকে।এই পর্যন্ত তো সব ঠিকই ছিল, "লেখোয়াড়" হবার সাধটা যে গোল বাঁধালো। বাংলা শব্দ গুলোও কেমন যেন বিদ্রুপ করছে আমায়। মাতৃভাষাকে গেয়ো প্যান প্যানে ভাবলে যা হয়। আয়নার কাছে যেতেকেমন ভয় করছে। ছাদের কিনারে আমি, খানিকটা এগুলেই ইচ্ছা অনিচ্ছা গুলো দলা পাকিয়ে ঝাঁপ দেবে সজোড়ে। না আমি আর ভাবছি না। শ্যাওলাজমা কার্নিশে একটা কাক কর্কশ শব্দে আমার অতীত বলে চলেছে --- উঃ! আর পারছি না।কাকটাও থামছে না, বলে চলেছে শ্রেণি, সিলেবাসের একঘেয়ে গল্প। শব্দ গিলছি ভিতরে ভিতরে। শুনতে পাচ্ছি স্পষ্ট ও বলছে,- দারিদ্রের কাছে হার মেনে অবোধ জনের অবহেলায় অশিক্ষার অন্ধকারে ডুব দিয়েছ তুমি। আরনা, এবার ওঠো আয়নার কাছে যাও। নিজেকে দেখ, মানুষের কাছে যাও, মানুষের কথা শোনো, সিলেবাসের বাইরে বেরোও, দেখ অসীম আকাশ আছে তোমার জন্য অপেক্ষায়তোমাকে আপন করে নেবে বলে। আসো বাইরে আসো মা'কে জানো, মনের কথা লেখনীতে আনো লেখোয়াড়।

অভীপ্সা মাধবী রায় আজ এক ইচ্ছের আনাগোনা চলছে, চলছে এক অস্থিরতা। বুকের ভিতর হামলদিস্তায় ইচ্ছা-অনিচ্ছা গুলো গুড়ো গুড়ো হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে শিরায় শিরায়। এই পারা, আর না পারার কাহিনীর সাক্ষী রাখতে চাইছি লেখনীকে। এই পর্যন্ত তো সব ঠিকই ছিল, "লেখোয়াড়" হবার সাধটা যে গোল বাঁধালো। বাংলা শব্দ গুলোও কেমন যেন বিদ্রুপ করছে আমায়। মাতৃভাষাকে গেয়ো প্যান প্যানে ভাবলে যা হয়। আয়নার কাছে যেতে কেমন ভয় করছে। ছাদের কিনারে আমি, খানিকটা এগুলেই ইচ্ছা অনিচ্ছা গুলো দলা পাকিয়ে ঝাঁপ দেবে সজোড়ে। না আমি আর ভাবছি না। শ্যাওলাজমা কার্নিশে একটা কাক কর্কশ শব্দে আমার অতীত বলে চলেছে --- উঃ! আর পারছি না। কাকটাও থামছে না, বলে চলেছে শ্রেণি, সিলেবাসের একঘেয়ে গল্প। শব্দ গিলছি ভিতরে ভিতরে। শুনতে পাচ্ছি স্পষ্ট ও বলছে, - দারিদ্রের কাছে হার মেনে অবোধ জনের অবহেলায় অশিক্ষার অন্ধকারে ডুব দিয়েছ তুমি। আরনা, এবার ওঠো আয়নার কাছে যাও। নিজেকে দেখ, মানুষের কাছে যাও, মানুষের কথা শোনো, সিলেবাসের বাইরে বেরোও, দেখ অসীম আকাশ আছে তোমার জন্য অপেক্ষায় তোমাকে আপন করে নেবে বলে। আসো বাইরে আসো মা'কে জানো, মনের কথা লেখনীতে আনো ল...