পোস্টগুলি
অক্টোবর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
মুখোশ মাধবী রায় কত কবিতা লিখেছেন কবিগন,হাজারো গল্পের মাঝে বিবৃত হলনানান সামাজিক প্রেক্ষাপট। দয়া, মায়া, প্রেম মান পেল শুধুসত্যের সুন্দর অঙ্গ সাজে।হিংসা, লোভ ,চাটুকারিতা অপমানের পথেই রয় বসে।ইতিহাসের পাতায় পাতায় জয় পরাজয়ের কাহিনী ই আছে ,জুলুম না প্রেম ই প্রেম পেল।কবিতার ছন্দে কথায়, স্নেহ, মায়া, প্রেমের বীজ প্রোথিত হয় মনে,জীবন সত্য সংগীত শোনে।মন তখন বিরূপ অত্যাচারীর বিরুদ্ধে।বিবেকের অঙ্কুর ওঠে জেগে,সময়ের ব্যবধানে অঙ্কুরিত বীজ মহীরুহ হবে।আমরা থাকি প্রতীক্ষায়। সংবাদপত্র কিংবা টিভি চ্যানেলেকখনও কখনও যে সব খবর পাই আশাহত হতে হয় খুব। ভুয়ো ডাক্তার, ভুয়ো উকিল, ভুয়ো পুলিশ!ওরা নিজেদের জীবন বিপন্ন জানে,সাধারণ মানুষের জীবন ও বিপদের মুখোমুখি করে দেয়। মুখ আর মুখোশের সীমান্ত বাধা আছে,আসল আর নকলের সীমানায় তবু কোন লোভে কিসের আশায় নিজেকে মুখোশে সাজায় !এ এক অদ্ভুত ঝুঁকি নেওয়া,সত্যকে ঠেকিয়ে রাখার অদম্য সাহসি হওয়া,ভিজে কাঠে আগুন দেওয়া।মুখোশ উন্মোচিত হলে -পারিবারিক সম্ভ্রম ভূমিতে লোটে ,জীবনের ভয়ে নিজেই মুখটা লোকাও।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
বিদ্যাসাগর মাধবী রায় বিদ্যাসাগর আমার কাছে ,চলমান প্রবাদ বাক্য ।ভালো কাজের জন্য তারা খেতে হয়,ঢিল খাব জেনেও মানুষের ভালো করতে হয়।মানুষের ভালো করার জন্য মানুষেরই তারায় ,নিজের জীবন নিয়েপ্রানপন দৌড়ে হোঁচট খেয়ে, উঁচু নীচু পথে পড়তে হয়।তারপর অনেক কষ্ট করে নিজের চেষ্টায় একাই দাঁড়াতে হয়।বিধবা বিবাহ প্রথাকে কেন্দ্র করে যে সমালোচনার ঝর-তুফান ওঠে,বর্ন পরিচয়, কথামালা হাতে নিয়ে নীরবে তা সহ্য করতে হয়। তবুও বিধবার বিয়ে দিতেই হয়। ভালো কাজের বিনিময়ে লাঞ্ছনাকে সাথী করে পর পাড়ে পারি দিলে ,তার নামে মহা বিদ্যালয়ের নামকরণ হয়।মহা বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে তার মূর্তি স্থাপনার পরেবিংশ শতাব্দীর অমানুষতা নামে ঐ মূর্তির সংহারে ।বিদ্যাসাগর বরাবর থাকে অ বিদ্যার ঘেরা টোপে।দয়ার সাগর মূল্য পায় না দয়াহীন সমাজ সংসারে। সাগরের বুকে ক্ষত হয় না তবু,সে তার স্বভাব সিদ্ধ কাজ করে।🙏🙏🙏🙏🙏
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
মায়ের বাহনমাধবী রায়30/09/21"ইয়া দেবী সর্ব ভূতেষু শান্তি রূপেন সংস্থিতা নমস্তসৈ নমস্তসৈ নমস্তসৈ নমো নমঃ "মাগো,তুমি আসবে বলেই পারিজাত বনে কুঁড়ী ভরে এলো,মাঠে মাঠে সাদা কাশেস্বর্গীয় শোভা মর্তে নেমে আসে,পারিজাত গন্ধ মাতাল বাঙ্গালীআগমনী সুরে, সুর মেলাল।আশ্বিনের শুক্ল পক্ষ সমাগত প্রায়।আমরা সকলে তোমার আসার অপেক্ষায়। আকাশে কেন যে ঘন কালো মেঘ,অবিরত বৃষ্টি বজ্র বিদ্যুৎ সহ!আনন্দ অপেক্ষা মাটি হবে বুঝি!প্রহর কাটে আশঙ্কায় !পারিজাত ফুল জলে ভেসে যায়,কাশফুল জলে ডুবে গেল,জল আর জল ঘন কালো জলঘরে দোড়ে ,রাস্তায় ফুটপাথে।পূতি গন্ধ ময় ,জীবন দুর্বিসহ। কেন মা এই অকাল বর্ষণ?ফুটপাথের এক কোনে পসরা নিয়ে বসে যে ছেলেটা,সেও তো ছিল তোমার আসার অপেক্ষায়!শরৎ আকাশে বর্ষার মেঘ,ফুটপাতে জমা জল।কি হবে তার বেচা কেনা বলো! মাগো,ভুখা পেটে তোমার বোধনে সামিল কি হওয়া যায়!বছর দুই ধরে করোনার গ্রাসেকত ক্ষয় ক্ষতি হলো।সহস্র স্বজন হারানোর ক্ষত আজও অক্ষত!মহামারী আজও আছে।কেন এ অকাল বর্ষণ ?শরৎ আকাশে ঘন কালো মেঘ ।তুমিই সরিয়ে দাও।প্রমান করো তুমি দেবী মিথ্যা হোক সে কথা -"অর্ধেক মানবী তুমিঅর্ধেক কল্পনা।"মাগো, ঘোটকে এসো না,যেও না দোলায় অন্য বাহনে আসা - যাওয়া কর।মিনতি করি গো তোমায়।নানান অস্থিরতায় অস্থির মর্ত্যবাসী!এ অস্থিরতা বারিও না আরঘোটকে এসে,যেওনা দোলায় কৈলাসে। মড়কের রূপ চিনেছি আমরাকত দেহ ভেসে গেছে গঙ্গায়,স্বজনের শোকে ডুকরে কেঁদেছি, শেষ ছোঁয়া টুকু ছুঁতে পারিনি,আবেগে আবেশে বলতে পারিনি,যেও না পরান প্রিয়। এরপর, আরও মহামারী চাই !দোলায় ফিরবে কৈলাসে?দেবী, তুমি মহামায়া। কৃপা করো,অসুর দলনী দুর্গা।মারী ও মরক আর চাই না"জাগো দুর্গা,জাগো দশ প্রহরন ধারিনী, অভয়া শক্তি,বল প্রদায়নী তুমি জাগো।"
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
সত্য ও মিথ্যা মাধবী রায় "সত্য ধর্ম প্রত্যক্ষ " জানি ও মানি।তবু মিথ্যা বলতেই হয়, যদিও সে মিথ্যা সত্যের থেকেও দামী।পরিহাস কোরো না ।আমি প্রেম প্রত্যাশি না,সত্য প্রেমিকে প্রত্যয়ী।আমি সংসারী দাসী,পাওয়া না পাওয়ার ছন্দে নিজেকে মানিয়ে চলি স্বচ্ছন্দে। তুমিই আমায় ছন্দ হীন করো ,দাড়ি পাল্লায় আমারে বসাও পরিমাপ কর , পার্থিব সম্পদেকতটা বিজয়ী!!তুমি সম্মানি ,আমি অপমানী।ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো,আমি ছন্দময়, বেদনা নেই কোনও সংসারের চারপাশ ভীষন স্নিগ্ধ ,সুন্দর চাঁদের আলোর আলোয়। শুধুমাত্র তোমার বাকা চাহনীমুহূর্তেই ভিখাড়ী করল আমায়। অন্তর বিদ্রোহী হয় ,মিথ্যা বলি -আমার যে ঘর আছে,সে তো শুধু ঘর নয়,সে এক বিরাট প্রাসাদ যেন,এ মিথ্যাচার আমাকে বাঁচায় , বাঁচে আমার অপমানী হৃদয়। তোমার অহংকার এমন করেআমাকে মিথ্যা বলায়। এ মিথ্যা সত্যের নৈবেদ সাজায়। চোখ ধাধানো দামী পোশাক আর সোনার অলংকারে সুগন্ধ মাখা তোমার শরীর!তোমার পার্থিব সম্পদের জয় ঘোষনা করলেও,আমি নির্বিকার নিশ্চুপ!আমার নিষপৃহতা তোমায় বিরক্ত করে।তুমিই হও বিজয়ী আমাকে বসাও অপমানের পাহাড়ে।সরাসরি প্রশ্ন করো কোন অলংকার গড়েছি, কোন সুগন্ধী মাখি আমি গায়ে!এ প্রশ্নের উত্তর এড়ানো বড্ড দায়!মিথ্যে উত্তর সাজাই, কথা বলি।সমাজ বদ্ধ মানুষ আমিতুমিই আমার প্রতিবেশীতোমার অহং আমাকে চুরমার করে,বাঁচতে দেয় না।তোমাকে রুখতে ই মিথ্যা বলিআমাকে বাঁচানোর দায়িত্ব আমার ই।সত্য ধর্ম প্রত্যক্ষ জেনেও নিজেকে বাঁচাতে মিথ্যা বলি,এ মিথ্যা সত্যের থেকেও দামী যখন -অপমানের পথে রুখে দাঁড়ায়।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ