পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অতিমারীর স্বাধীনতা দিবস।

অতিমারী চলছে। সবার মুখে মাস্ক, পকেটে স্যানিটাইজার। চৌদ্দ ই আগষ্ট রাত দশটা , আগামী কাল স্বাধীনতা দিবস তার ই প্রাক প্রস্তুতি চলছে।   স্থান রেল লাইনের ধার ঘেঁষা বস্তির বেশ খানিকটা উঁচু মাটির ঢিবি। মাইক লাগানো হয়েছে, গম গম করে  হিন্দি গান বাজছে। ছেলে ছোকরার দল আনন্দে উদ্দাম, নাচছে। শুধুমাত্র বছর পনেরো র ছেলেটা ফ্যাল ফ্যাল করে  দেখছে, কখনও বিরক্ত, কখনো একাই হাসছে। রেল লাইনের দিকেই চোখ।  চোখ,মনে হয় কিছু খুঁজছে।   পনেরো ই আগস্ট ২০২০ সকাল আটটা, পাড়ার বড়দা-  পতাকা উত্তোলন করছেন ওনাকে ও পতাকা স্ট্যান্ডকে ঘিরে দাঁড়িয়ে পাড়ার ছেলে ছোকরার দল। বন্দে মাতরম ধ্বনিতে মুখরিত বাতাস। পতাকার কোল থেকে একটা ফুল পড়ল ওর মাথায়। চমকিত, বিরক্ত ও বিব্রত হল সে! ভাবলেশহীন ভাবে মুঠোয় চেপে ফুলকে, চিল চিৎকারে ঘোষণা করতে থাকল  আমি স্বাধীন হতে চাই স্বাধীন! বন্দে মাতরম ধ্বনিতে  তাপ লাগল। কত্তা ব্যাকতিরা হত চকিত!  ইতিহাস, বিদেশি, স্বাধীনতা প্রতিটি  শব্দের অর্থ এক লহমায় ওকেই বোঝাবে, বুঝিয়ে ছাড়বে       ঠিক করল! টেনে হিচড়ে দাড় করালো ঠিক ওদের মুখোমুখি...

ক্ষোভ

হ্যালো, হ্যালো হ্যা কবিতা? আমি মাধবী বলছি। আজ নিবিড় সম্পর্কে বাঁধতে চাই তোমাকে। তাই এত গভীর রাতে ফোনে যোগাযোগ করা। না না তোমার কোন কথাই আজ আমি শুনব না, আমি  বলব আর  তুমি শুনবে   কিচ্ছু টি বাদ রাখবো না। কবিতা, অবুঝ হয়োনা শোনো তুমি আমায় টানো, কন্ঠে  আসো, উচ্চারনের সীমানা পেরিয়ে। কবিতা, আমি তোমাকে নিবিড় করে   ভালোবাসি। তোমায় আপন করে  পাওয়ার আশায়, পাগলের প্রায় বাঁচি। চঞ্চল হয়ে খুঁজি। কবিতা, তোমাকে যখন পাই! দাড়ি,কমা, সেমিকোলন ঠিক রেখে , ছন্দে ছন্দে নিজের আনন্দে তোমাকে সাজাই। রূপবতী হয়ে ওঠো। আবৃত্তি বলে ডাকে সব্বাই। কবিতা, তোমার রূপের প্লাবনে আমি ডুবে যাই। কবি ভেসে ওঠে অহংকারে, হা হা করে হাসতে থাকে আনন্দ শীৎকারে। কবিতা, শোনো চলে যেওনা দাঁড়াও, দয়া কর এসো   আমার কলমে এসো। এবার  ফোন কাটছি, তোমাকেই আনতে যাচ্ছি। কবিতা, এসো ঘরে এসো। খাতার ওপর ওঠো, আপন করে নেব  তোমায়। তোমার আমার মাঝে কাউকেই রাখব না। কবিতা, তোমায় আবৃত্তি করব। হাসতে হাসতে, ভাসতে  থাকব তোমাকে নিয়েই বাঁচতে থাকব। কোন ক্ষোভ থাকবে না। ২৩ শে জুলাই  মাধবী

রাখি বন্ধন

স্নেহের ভাই, আজ রাখি বন্ধন, তোর অবশ্য এই উৎসব টুৎসব নিয়ে মাথা ব্যথা নেই কোনো। আমাদের অভাবের সংসারে যদিও উৎসব টুৎসব কোনদিন ই কোনো আলাদা গুরুত্ব পায়নি। তবু ও অপরাধ নিবি না ভাই আজ আমি কিছু সত্যের মুখোমুখি হতে চাই। এতে তোর কোনো পরিবর্তন হবে না জানি, পরিবর্তনের পথ একটু ও খোলা নেই। তবু ও আমি যে শান্তি পাই। জানিস ভাই, খুব মনে পড়ে আমাদের বাবা বিছানা শয্যাশায়ী ঘরেতে অভাব, সম্ভ্রান্ত আত্মীয় স্বজন হয়েছে বিদায়ী। তুই আর আমি ছাত্র পড়াই। তাতে বাবার ঔষধ খানিকটা হয়, জমির শাক-পাতা জুড়ে কোনরকমে জীবনটা চলে যায়। মাঝে মাঝে তুই বিরক্ত হতিস, পড়াতে না, নিজে পড়তে চাইতিস। অপারগ আমি , কিচ্ছু বুঝতে চাইনি। মা , আমি তুই বাবা  রুটির কাছে নতজানু হয়েছি। চাওয়া আর পাওয়ার বিস্তর ফারাক তোর মনকে বিকল করল , বিরস হলো পার্থিব জীবনের সব কিছু। তুই যেন কেমন হয়ে গেলি ভাই!! সব কিছুতেই ভয় পেতিস, চীৎকার করতিস , আমিও গোটা পরিস্থিতিটাকে ভয় পেতে শুরু করলাম। ভয়ে, অপমানে লজ্জায় অপারগতায় দায় দায়িত্ব এড়ানোর কৌশল  রপ্ত করেছি কৌশলে। অন্তরে রক্ত ঝরিয়ে শিখেছি, মেয়েদের  যন্ত্রের মত হতে হয়। সামাজিক ভয়ে, ...

আমার নাম মাধবী

আজকে খুললাম ব্লগ টা