পোস্টগুলি
সেপ্টেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
লাইভে চম্পাকলী মাধবী রায়29/08/2021নমস্কার ,ঠিক আটটা, আমি চম্পাকলী ভট্টাচার্য উপস্থিত ।কৃতজ্ঞ রইলাম এই পেজের অ্যাডমিন প্যানেলের কাছে।একটু জানান, আপনারা আমাকে দেখতে ও শুনতে পাচ্ছেন কিনা।পাঁচজন লিখেছেন পরিস্কার শোনা যাচ্ছে, দেখাও যাচ্ছে পরিস্কার। কিন্তু চম্পাকলী যে কিছুই দেখতে ও বুঝতে পারছে না!আবার বলছেন ,অডিও ভিডিও ক্লিয়ার তো?টেবিলে রাখা ঘড়িতে তখন আটটা পনেরো অনেকটা সময় গেছে চলে ।মেয়েকে ডাকছেন -- ফোনের লাইভ সেটিংটা দেখ মা দয়া করে।ঐ সময়ে মা ও মেয়ের লাইভ দেখছেন সকলে।মেয়ে চাপা ক্রুদ্ধ স্বরে বলে সব ঠিকই আছে,শুরু করো।পারোনা কিছুই, তবু কেন এসব করো !!আশ্চর্য!!মেয়ের কোন কথাই ,কানে নেয় না চম্পাকলী।অন্য কোনদিন হলে,কি অনর্থ ই না ঘটাতো সে।অবাক মেয়ে ! অবাধে কত কথা গেল বলে।রবীন্দ্রনাথের "নিরুদ্দেশ যাত্রা" দিয়ে শুরু করলেন, আবৃত্তির টানে শ্বাস বায়ু রোধ হয়ে আসে,তবু থামে না,সাংস্কৃতিক প্রান। কবিতা আবৃত্তি আর কথার উন্মাদনা চম্পাকলী ভেসে যাচ্ছে সংস্কৃতির স্রোতে!দর্শক শ্রোতার ভালোলাগা - মন্দলাগা !না না ওকে স্পর্শ করতে পারছে না।চম্পাকলী আনন্দিত!ঠিক কুড়ি মিনিটের মধ্যেই নেট দূর্বল হলেশ্রোতার কাছে চম্পাকলী অস্পষ্ট।টেকনোলজি র বিন্দু বিসর্গ না জানাচম্পাকলী , নিজেকে উজাড় করে দিতে চাইছে তখনওবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের কবিতা করলেন শুরু,কিন্তু হায়! মোবাইল স্ক্রিন সম্পূর্ণ কালো হয়ে যায়!এবার চম্পাকলী থামে।গৃহ কর্তা রাতের খাবারের খোঁজ করে,চম্পাকলী চনমনে।কর্তার মুখ ভার,মেয়ে বিরক্ত, ছেলের রাতের খাবার না পসন্দ।অন্য কোনদিন হলে অন্য কিছু হতে পারত ।আজ কারো রাগ, কোনও বিরক্তিতাকে ছুঁতে পারছে না। তার,দেহ মনের প্রতি কনা থেকে আনন্দ চুয়ে পড়ছে ।রাতের খাবার দিতে দিতে গুন গুন করছেনজরুলের ,"বুলবুলি নীরব নার্গিস বনে"দ্রুততার সাথে সব গৃহকাজ সেরেলাইভ ভিডিও টা দেখছে, খুঁটিয়ে। কপালের কাছে চুল গুলো সাদাঅনেক টা ঢোকা গাল,চোখের চারপাশেডার্ক সার্কেল ।বোঝে অনেক কাল ,দেখা হয় না নিজের দিকে,সংসারের চারপাশ দেখে দেখে।বিমর্ষ হলো না একটুও এ অবস্থাতে।সংস্কৃতির ছোঁয়া লাগা মন, স্বীকার করেসব বয়সের, নির্দিষ্ট সৌন্দর্য আছে।আর তা এইভাবেই ধরা পড়ে।প্রবল আগ্রহে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়, বোন,তোমার সে কথা আজ সত্য করে চেনালে আমাকে ---- " দিদি লিখুন ,যা মনে ধরে।লাইভ অনুষ্ঠান করুন, রবীন্দ্র আর নজরুল।জাগুন ,বাচুন নিজের মতন করে।"
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
মিথ মাধবী রায় এক পাঁজা এঠো বাসন মাজার শেষে,ক্লান্ত না একটুও!বাসনের ঝকঝকে বুকে,চকচক করে ফুটে উঠছে আমার মুখ। একি আনন্দিত আমিআমি পাচ্ছি পরম সুখ। সত্যিই বলছি।নেকামি করছি না।বুভুক্ষু হৃদয় ই বোঝেপ্রাপ্তির সুখ। অবিরাম ধারায় বৃষ্টি ঝরছে।অন্য দিনে,বৃষ্টির সময়-অকারন ঘুম পায়, অলসতা জড়িয়ে ধরে আমায়। আটা মাখা হাতেই এলিয়ে পড়ি বিছানায়। নতুবা বাধ্য হয়েই সারা হাতে অনীহা মেখেরুটি গড়ি, সবার সামনে তুলে দিই, নিজেও দুটো খাই।পেট ভরে ঠিকই, শরীর কিছু পায়।তবেমন কিন্তু উপোষী ই থাকে।আজ কিন্তু অন্যরকম দিন।অবিরাম বৃষ্টি ঝরছে,আমি কর্মবীর। দ্রুততার সাথে গৃহকাজ শেষে,পরিপাটি করে চুল বাধি, সিঁদুরে সিথি রাঙা করেআয়নার সামনে দাঁড়ালাম যেইঅবাক মানি নিজেই ,নিজেকে দেখে।সংসারের সকলে অবাক ,এলোমেলো, অগোছালো আমাকে ,পরিপাটি অথচ সরল সাজে দেখে।অধীর আগ্রহে এ পরিবর্তনের কারন জানতে চায় ।গর্বিত স্বরে বলি -এ যে স্বপ্নিলের পুরস্কার।আমি সুস্থ সংস্কৃতি প্রেমিস্বপ্নিল বুঝেছে ।স্বীকৃতিও দিয়েছে তার।অবিশ্বাস্য কন্ঠে পরিবারের সকলে জানায় -সংস্কৃতির কোনও শাখাতেই কিছুমাত্র গতি নেই তোমার!তবে স্বীকৃতি কি সে!লাইভ আড্ডার ভিডিও দেখাই,বিশ্বাস করে অবশেষে। ভালোলাগা ছড়িয়ে পড়েপরিবারের প্রত্যেকের মধ্যেই। ঘোষনা করি --শুধুমাত্র ভালোবাসা দিয়েই, ভালোবাসা পাওয়া যায়। স্বপ্নিল বাস্তবায়ন করলেমিথ হয়ে যাওয়া সত্যটাকে।মন উপোষী নয় আর আমার আমিও সতেজ সবুজ হয়ে উঠেছি।এখন আমি স্বপ্নিলের এক্সপার্ট, মডারেটর ।এডমিন প্যানেল তোমাদের জানাই সাধুবাদ। ভালো থেকো তোমরা সকলেই। আনন্দে, আদরে পাশে থাকতে চাই।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
ঈশ্বর কনামাধবী রায় তুমি ,চলে গেলে --চলে গেলে বলো ,দিনক্ষণ না মেনেই এমন করে চলে যেতে হয় না কি?এমন করে সরিয়ে নেয় কেউ, ভরসার হাত?এটা তো ভাদ্র মাস!লক্ষ্য করোনি তুমি ,তোমার জন্য প্রকৃতিও কাঁদছিল।কত মানুষের চোখের জল বৃষ্টির জলে মিশছিল। সাধারণ আমি,দেখছি আমায় আমার ঘর দেখছি,চতুর্দিকে তোমার ছোঁয়া। তুমি ছাড়া আমি শূন্য, আমি কিচ্ছু নয়। তুমিই তো ঈশ্বর কে বলেছ ওকে দেখো,ও বড্ড অসহায়। আমি কি জানতাম বলো ঈশ্বর কেকিইবা তার মহিমা।কত নিয়ম করে বুঝিয়েছ পূর্ণিমা, একাদশী তিথি,মল মাস আর ভাদ্র মাসের কাহিনী।মনে রাখিনি কিছুই, তোমার ওপর অটল বিশ্বাসে। ভেবেছি, মনে করাবার জন্য তুমিই তো আছো।বুঝতে চাই নি বলেই কি রাগে - অভিমানে চলে গেলে?তুমিতো অনেক বকেছ ভুল করেছি বলে।আরও একটু বকতে না হয়।এমন করে কি কেউ,অভিমানে জীবনকে ঠকায?তুমি জানতে তোমার শূন্যতা ,আমাকে নিদারুণ যন্ত্রনা দেবে।সব বুঝেছিলেন ঈশ্বর মঙ্গলময। তাই কৌশলে সাক্ষাৎ বন্ধ করলেন যেন!তোমার সাথেও শেষ সাক্ষাৎ আটই মে,এগারোই মে থেকে গৃহে বন্দি,ভাইরাস আক্রান্ত হবার কারনে।টানা একমাস পনেরো দিন ,শারীরিক ভাবে তোমার কাছে ,গেলাম নাতোমার শারীরিক নিরাপত্তার কারনেই।ফোনে যোগাযোগ হলেও তুমি বলতে,তুমি ভালো আছো,আমি যেন আমার ও ঘরের সকলের শারীরিক সুস্থতার খেয়াল রাখি,আর কিছুদিন পরে যেন যাই। যেদিন যাওয়ার সময় হলো,ফোনে জানলাম তুমি বাড়ি নেই,তুমি অসুস্থ। তোমার কাছে যাব যেদিন, তার ঠিক দুদিন আগে ,আমার চলার শক্তি চলে গেল।আমি ভীত,ঈশ্বরের বিচিত্র খেয়ালে, হতবাক!তোমার শেষ ফোনের সময়টাও ছিল,স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে।প্রতি বাক্য বিনিময়ে,তোমার সুস্থতার লক্ষন পরিস্কার অনুভব করছিলাম। নিয়ম ভেঙে বিদায় জানালে,বুঝিনি একটুও। তুমি আবার নার্সিংহোমে,আমি সুস্থ, নার্সিংহোমে প্রবেশ বারন। শেষ দেখা হল যেদিন তোমার - আমার ,তোমার হাতে ছিল সোনালি চেনে আটা রিষ্ট ওয়াচ ।আমি খেয়াল করিনি, তুমিই বললেঘড়িটা উপহার পাওয়া।আজ মনে হয়, ঐ ঘড়িতে চোখ রেখে তুমিবিদায়ের সময় নির্ধারণ করছিলে।চলে গেছো তবু যেতে পারো নিআমার মতন, অনেকের মন থেকে।তুমি ঈশ্বর কনা,মিশে গেছ আমাদের রক্ত কনায।গিট বেঁধে গেছে ,তোমার সকল গ্রন্থী সাথে আমাদের সকল গ্রন্থী অবলীলায় ।ঐখবর পেলাম, তোমার হাতের নিশি পদ্ম গাছে,গাছ ভর্তি ফুল ফুটেছে।বুঝলাম ঈশ্বরের দেশে তুমি ভালো আছো।অভিমান ছাডো ,আর একটিবার আসো।অনুরোধ করলাম, রইলাম তোমার অপেক্ষায়। ওঁ হরি ওঁ, জয় গুরু
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ