পোস্টগুলি

মে, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অনুপ্রাণন

অনুপ্রাণিত  অনুপ্রেরণা ,অনুপ্রেরণা , অনুপ্রাণিত  আকাশ পাতাল মত্ত চারিদিক।  কোথায় কখন থামতে হবে! ভুলেই গেছি ! ভুলতে হবে ! ভালো মন্দ ! ভালোই তো সব  বলতে হবে, বলতে হবে। আমরা বাপু,আমজনতা  ভীষন ভীতু, নির্বিবাদী! অনেক কষ্ট সহ্য করেও বেঁচে আছি,বেঁচেও যাব! মরবে না কি !বিবাদ করে! বরং একটু তালি বাজাও  গান গেয়ে যাও ধান্দাবাজের।  ওরা গড়ুক বাড়ি গাড়ি,  প্রানটা বাঁচাও ওদের ছায়ায়, ওদের করো উমেদারী।  ঐ যে দেখো প্রতিবাদী! বিচারশালায় বিচার খোঁজে! বিচারকের রায় শুনে তো  আকাশ পাতাল মত্ত হাতি! মারের মুখে বিচারক ই! তুমি আবার  বিচার খোঁজো! ভীষন যখন কষ্ট হবে  -- অনুপ্রেরনার মন্ত্র জপো,  ভালোই তো সব চলছে তবে! করজোড়ে বলতে শেখো। আজ বিদ্রোহী কবি নজরুলের জন্মদিন  ওনাকে নিজের অপারগতা দিয়েই,শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলাম।  একজন 'পরাজিত অনুরাগী' এ সত্য প্রকাশে একটু শান্তি পেলাম।

অনু লিখন

 জেনেছি, জ্বর একাধিক রোগের উপসর্গ মাত্র। বুঝলাম, হিংসা একটি ভালো কাজের উপসর্গ মাত্র। দুটোই বড্ড উপকারী! জ্বরের কারনে দৈহিক সচেতনতা তৈরি হয়, হিংসার কারনে ব্যবহারিক সচেতনতা জন্মায়। জ্বর এবং হিংসা নিজেরা দূর্বল তবে অপরকে সবল হতে সাহায্য করে দেখলাম। উপলব্ধি হল উৎসেচকের মত , বড় বড় পরিবর্তন ঘটালেও নিজেদের (বিশেষ ভাবে হিংসা,বিশেষ ক্ষেত্রে জ্বর) বৈশিষ্ট্যের কোনও পরিবর্তন করেনা।