পোস্টগুলি

শিশু

ছেলেটা আমার --         একটু অন্যরকম - ওর মন যেন পেঁজা তুলো       কেবল ভেসে বেড়ায় - আমিও ওর সাথে ভাসতে  ভাসতে পৌঁছে যাই পাহাড় চূড়োয়! হঠাৎ আবার ছুটতে থাকে  পাখির পিছোয়! প্রজাপতি ধরবে বলে , মনের কপাট খুলে দিয়ে , নিজেই প্রজাপতির মত, ডানা মেলে বসে থাকে, আমার চোখের সামনে! জানলা খোলা রাখি- ও আকাশ দেখে, দেখে উড়ন্ত পাখি  খোলা জানালার পাশে - হাসনুহানা সুগন্ধী বাতাসের  - আনাগোনা! উঠতে চায় খোকা ! পারেনা! সবাই কি সবকিছু পারে বোকা! দু-হাতে ছেলেকে জড়িয়ে ধরি ও  ধরে আমাকে - এ ভাবেই আমরা দুজনে  বিশ্ব ভ্রমণ করি! ছেলে  করজোড়ে প্রনাম করে আমাকে! আর আমি ভাগ্য বিধাতাকে।

বর্তমান মানুষ আসলে কি চায়!

গ্রামের এক হাঁটু কাঁদার মাঝে দৃঢ় ভাবে পা ফেলে ফেলে এ ঘর থেকে ও ঘরে  যাওয়া, পাকের ফাঁকে ফাঁকে পা ফেলে বিদ্যালয়ে যাওয়া। অমাবস্যার রাতে ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক আর বিন্দু বিন্দু আলোই ছিল ,আঁধার চিরে এগিয়ে যাওয়ার আলো । বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালটা যখন বর্ষার জলে টই - টম্বুর হয়ে উঠতো , আর উপচে পড়া গঙ্গা নদী মিশে যেত ঐ খালে ।কাল তো তখন এক বিশাল স্বচ্ছ আয়না!

কৃপা অর্চনা ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার

 হে আশ্রয়ের আশ্রয়!হে ভক্ত বৎসল!হে করুণার মূর্তি, ক্ষমার মন্দির! তোমার অসংখ্য নাম - প্রতিটি নামেই তোমার প্রেমঘন মূর্তি প্রকাশিত।  তুমি মহারাজ!এই ভক্ত তোমাকে ঠাকুর বাবা নামে সম্বোধন করে তৃপ্ত!🙏🙏 হংস মহারাজ আমার বাবা 🙏🙏! সুতরাং বেদান্ত আশ্রম আমার বাপের বাড়ি! আমার বড় ভাই,ছোটো ভাই, মা, ছোটো পিসি ,বড় বৌদি, ছোটো বোন অর্থাৎ বাপের বাড়ির সব সম্পদ ও সম্পর্ক তোমার কৃপায় আমাকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছে!আর অগনিত গুরু ভাই - বোনের হাসি মুখে জয় গুরু উচ্চারণ আমার মনের সব ক্লেদ ধুয়ে ধুয়ে দেয়!       আমি বিশ্বাস করি, ঠাকুর বাবা সিদ্ধাত্মানন্দ পরমহংস দেব আছেন, মা সিদ্ধেশ্বরী আছেন, আমার বাবা হংস মহারাজ আছেন,মেজ পিসিও আছেন🙏🙏🙏🙏। কিভাবে!! আমরা,যারা বেদান্ত আশ্রমে আশ্রয় পেয়েছি,  প্রত্যেকেই নিজ নিজ মন অনুযায়ী উপলব্ধি করি ! হঠাৎ কি মনে হলো,এক গুরু বোনকে, গুরু ভাইয়ের মাধ্যমে একটা চুলের ক্লিপ উপহার দেওয়ার সাহস পেলাম!পরে লজ্জিত হয়ে বললাম এ বাবা বোনকে এতো ক্ষুদ্র একটা উপহার দেওয়ার সাহস পেলাম! প্রতি উত্তরে গুরু ভাই বললেন - "আপনি কি জানেন এই ছোট্ট ক্লিপটা ,কত চুলকে একসাথ...

বিষ ময়

 একদা একজন বোবা শব্দের  অর্থ বুঝত ,বাবা! আজকে দেখি ,  একি !  লক্ষ কন্ঠের সশব্দ শব্দের, অর্থ বোঝেনা ,নাকি! এ কোন নেশা! মন পোড়া গন্ধে ,সমাজ ভরপুর! জীবন জ্বলছে দাউ দাউ আগুন! কবিতা কাঁদছে, গানের লেলিহান শিখা! চিলের পাখায় আগুন ,শকুনি! কোথায় লুকোবে কে ? চিলেকোঠাও বাদ যাবেনা! জীবন্ত লাশ ঘুরেফিরে - আলিঙ্গন করবে তোমাকে! জ্বলবে তুমিও জ্বলবে! সবুজ জীবনে, আগুন লাগানো  সহজ নয় ! নেভানো আরও কঠিন! বিস্ময় -বিষ ময়!

ভাবের ঘরে চুরি

 ওরা অনেক বড় মাগো  ওদের অনেক মান! ওরা তোমায় বৌদি ডাকে ! তুমি আনন্দে আটখান! সকাল থেকে সারা দুপুর  তুমি উনুন সাথে থাকো! রান্না করো হরেক রকম খাবে তোমার তিন দেবর! ননদ তোমার অফিস যাবে টিফিন কৌটা সাথে! ওকেও তোমায় খাওয়াতে হবে! কষ্ট না পায় যাতে! আমার বাবা বড় ছেলে! ওরা ছোটো ভাই - বোন!  তাইতো তাকে দেখতে হবে, কারন - ওরাই আপনজন! আমার বাবা বোকা ভীষণ - সহজ মানুষ বলে! কে বলো মা ভালো থাকে ! মেনেনজাইটিস হলে! তবুও তিনি বেঁচে ছিলেন, আমাদের বাবা হলেন। আমার বাবা বেকার নয়  কারখানায় কাজ করেন। আমরা হলাম ,সাধের পুতুল  বাবার ভাইয়ের -বোনের! ওরা ভীষণ বড় মাগো! ওরা সবাই মানি! সবাই ওরা ঘর বেঁধেছে  এখন অন্যখানে! মাগো ,  এখন তুমি একাই থাকো তোমার সংসার নিয়ে! ওদের বুদ্ধি,কথা বলা ছড়িয়ে দিত অবহেলা! তুমি বুঝতে পারো নিকো! ওদের সাথে সমঝোতাতে! সমঝোতাতে -- তোমার , ঘূন ধরেছে চেতনাতে! ভূক্ত ভোগী তোমার ছেলে -মেয়ে! বাবা আমার বৃদ্ধ হলেন, তুমিও মা বৃদ্ধা এখন! এখন বুঝি ওদের খেলা, ওদের হাতের পুতুল নই আর  তোমার মেয়ে লড়তে জানে। ন্যায়ের জন্য লড়তে গিয়ে, প্রশ্ন বাণে পার না পেয়...

জানিনা

 দুটো চোখ আছে ঠিকই   তবু দেখতে চাইনি আমি, দুটো রুটি ভিন্ন  অন্য কোনো কিছুই। তাই পিৎজার দিকে ফিরে দেখিনা এখনও  ঘ্রাণ শক্তি আছে ঠিকই, ভাতের গন্ধ  আমার বড় প্রিয়! মাটির সোঁদা গন্ধ ছাড়া  কোনো সুগন্ধির খোঁজ  করিনা আজও   শ্রবণ শক্তি আছে ঠিকই, বাক্যবাণে ক্ষত  -  বিক্ষত হয়ে ভীত অবহেলিত আত্মীয় আমি অবলার সাথে আত্মীয়তা করি, পাখির সাথে বন্ধুত্ব! ফুলের কোমলমতি বড় প্রিয় ! আজকের মানুষ তুমি  রামমোহন হবে, ভাবছি না ! মনমোহন কবি হতে পারো! কবির কাছে নতজানু  হই আজও!

কিছু নিয়ম অনিয়মের জন্ম দেয়। কিছু নিয়ম মিথ্যের । কিছু নিয়ম চোরকাঁটার মত। নিয়মের কাছে হেরে যাওয়া, এক উন্মাদ - নিয়ামককে সাধুবাদ জানান! বলেন - কাছের জনকে কাছে রাখা ভালো রাখা নিয়ম! শুধু এই নিয়মের জন্য যুদ্ধ করতে হয় করুন! উলুখাগড়া পুড়ুক! ওরা চেতনাহীন প্রান! আধারের অভাবে আরও গভীর আঁধার হবে রাত! নিয়মের বজ্র আঁটুনি, ফস্কা গেরো! নিয়ম- নিয়মের চোরাবালিতে হারিয়ে গেছি জেনো!

 কিছু নিয়ম             অনিয়মের জন্ম দেয়। কিছু নিয়ম মিথ্যের । কিছু নিয়ম              চোরকাঁটার মত। নিয়মের কাছে হেরে যাওয়া, এক উন্মাদ - নিয়ামককে সাধুবাদ জানান! বলেন - কাছের জনকে কাছে রাখা ভালো রাখা নিয়ম! শুধু এই নিয়মের জন্য যুদ্ধ করতে হয় করুন! উলুখাগড়া পুড়ুক! ওরা চেতনাহীন প্রান! আধারের অভাবে আরও গভীর আঁধার হবে রাত! নিয়মের বজ্র আঁটুনি, ফস্কা গেরো!          নিয়ম-   নিয়মের চোরাবালিতে হারিয়ে গেছি জেনো!