পোস্টগুলি

চলো হাতে হাত রাখি সব্বাই সব্বার । ভালো শব্দ চাষ করে , ফসল তুলব ,মায়ার। প্রয়োজন থাকবে না , মুখ আর মুখোশ কে পৃথক করবার! শব্দ চাষ মাধবী রায় 29/10/2022

কে কে

কে কে মাধবী রায় কে কে? কে উনি ? উনি শিল্পী, সংগীত সাধক! ওনার সাধনার ফল আমরা উপভোগ করি! ওনাকে শুনব বলে , নজরুল মঞ্চ ভরে তুলি, উপছে পড়ে শ্রোতার আসন! তপ্ত দুপুরে বিরক্ত নজরুল! বন্ধ যন্ত্র বাতানুকূল ! তুমি গাইছ আগুনের গান ! শ্রোতারা তোমার সুরে মশগুল! তোমার শরীর! তোমার কষ্ট! ভাবনার ভার শ্রোতার কেন! কেন থাকবে প্রশাসক উদ্যোক্তাদের! কবেই তো মান্না বাবু শুনিয়ে গেছেন -- "শিল্পের জন্য শিল্পী শুধু এছাড়া নেই যে তার অন্য জীবন ' আর তুমি সুরের সাধক ! মান্না বাবুর গানের যথার্থতা  প্রমাণ করলে!  জল খেলে, ঘাম মুছলে  স্পট লাইট অফ করতে বললে, বাতানুকূল যন্ত্র চালানোর কথা  বললে না! মঞ্চ ছাড়লে না! ঈর্ষার দীপ জ্বেলে, ইচ্ছা মৃত্যুকে ডেকে নিলে! আসছি কলকাতা বলে, কলকাতা থেকেই  চিরতরে চলে গেলে! সংগীত সাধক ,গাইতে গাইতে রাজার মত যাওয়া  লোকে বললেও আমি মানব না! "শিল্পের জন্য শিল্পী শুধু" শ্রোতা ও দর্শকের কাছে! শিল্পী তোমার পরিবার ,পরিজন  শিল্প না শুধু!তোমাকেই যাচে! ফাঁকি দিয়ে তাদের,  মাত্র তিপান্নতেই চললে তেপান্তরে! সব শোক বার্তা স্তব্ধ হবে , সংবাদ মাধ্যমে! তোমার ফ্যান যারা খু...

তুই

তুই যেদিন চলে গেলি তাকিয়ে ছিলাম বোকার মত! চোখের জলে ভিজেছিল  ভালোলাগার কথা যত। মাঝে মাত্র দু একটা দিন  আবার একটা "তুই" এলো যেই,  এবার আমি অন্যরকম , তাই বেশ কিছুদিন থাকলো গো সেই..  এখন আমি একটাও আর তুই চাই না, ভয় পাই না! কাটলে পেঁয়াজ,  চোখ ভরে আর জল  আসে না ! এখন আমি প্রাজ্ঞ ভীষণ  আলো - আঁধার   নিয়েই জীবন! "তুই " শেখালি মন্দবাসা,  তোর কাছে তাই   কৃতজ্ঞ মন! মাধবী
ঋতু খোঁপায় রজনীগন্ধা লাগিয়ে বলেছিলে, একটা বাগান দেবে আমাকে। বাইরে তখন মুষল ধারায় বৃষ্টি পড়ছে, হৃদয়ে আমার জলপ্রপাতের উচ্ছ্বাস!  ফুলের গন্ধে মাতাল আমি,  আমার  অস্তিত্ব তুমি ময় ! ঠিক তখন আমার জন্য বাগান,  বাগানের  জন্য রোদ্দুর আনতে গেলে! আর ফিরলে না!আমার মন ! ফুলের সুবাস নয়! মন পোড়া গন্ধ বয়ে বেড়ায় এখন! মাধবী রায়

ঋতু

ঋতু খোঁপায় রজনীগন্ধা লাগিয়ে বলেছিলে, একটা বাগান দেবে আমাকে। বাইরে তখন মুষল ধারায় বৃষ্টি পড়ছে, হৃদয়ে আমার জলপ্রপাতের উচ্ছ্বাস!  ফুলের গন্ধে মাতাল আমি,  আমার  অস্তিত্ব তুমি ময় ! ঠিক তখন আমার জন্য বাগান,  বাগানের  জন্য রোদ্দুর আনতে গেলে! আর ফিরলে না!আমার মন ! ফুলের সুবাস নয়! মন পোড়া গন্ধ বয়ে বেড়ায় এখন! মাধবী রায়

অনুপ্রাণন

অনুপ্রাণিত  অনুপ্রেরণা ,অনুপ্রেরণা , অনুপ্রাণিত  আকাশ পাতাল মত্ত চারিদিক।  কোথায় কখন থামতে হবে! ভুলেই গেছি ! ভুলতে হবে ! ভালো মন্দ ! ভালোই তো সব  বলতে হবে, বলতে হবে। আমরা বাপু,আমজনতা  ভীষন ভীতু, নির্বিবাদী! অনেক কষ্ট সহ্য করেও বেঁচে আছি,বেঁচেও যাব! মরবে না কি !বিবাদ করে! বরং একটু তালি বাজাও  গান গেয়ে যাও ধান্দাবাজের।  ওরা গড়ুক বাড়ি গাড়ি,  প্রানটা বাঁচাও ওদের ছায়ায়, ওদের করো উমেদারী।  ঐ যে দেখো প্রতিবাদী! বিচারশালায় বিচার খোঁজে! বিচারকের রায় শুনে তো  আকাশ পাতাল মত্ত হাতি! মারের মুখে বিচারক ই! তুমি আবার  বিচার খোঁজো! ভীষন যখন কষ্ট হবে  -- অনুপ্রেরনার মন্ত্র জপো,  ভালোই তো সব চলছে তবে! করজোড়ে বলতে শেখো। আজ বিদ্রোহী কবি নজরুলের জন্মদিন  ওনাকে নিজের অপারগতা দিয়েই,শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলাম।  একজন 'পরাজিত অনুরাগী' এ সত্য প্রকাশে একটু শান্তি পেলাম।

অনু লিখন

 জেনেছি, জ্বর একাধিক রোগের উপসর্গ মাত্র। বুঝলাম, হিংসা একটি ভালো কাজের উপসর্গ মাত্র। দুটোই বড্ড উপকারী! জ্বরের কারনে দৈহিক সচেতনতা তৈরি হয়, হিংসার কারনে ব্যবহারিক সচেতনতা জন্মায়। জ্বর এবং হিংসা নিজেরা দূর্বল তবে অপরকে সবল হতে সাহায্য করে দেখলাম। উপলব্ধি হল উৎসেচকের মত , বড় বড় পরিবর্তন ঘটালেও নিজেদের (বিশেষ ভাবে হিংসা,বিশেষ ক্ষেত্রে জ্বর) বৈশিষ্ট্যের কোনও পরিবর্তন করেনা।