পোস্টগুলি

অভাবী ,তার আবার ভাবনা !ওরাই জীবনপ্রেমের , আসল প্রেমিক ।রুটির ,রুটির ভাবনা ওদের পাগল করে রাখে। শযনে, স্বপনে ,জাগরনে একটা ই ভাবনা ,রুটির রুটি রুটি রুটি পরিবারের প্রত্যেকের হাতে অন্তত একটা রুটি।

আমার আবার পাহাড় পাহাড় প্রেম !ম্যাপটা যে আপনার হলো না এখনও !উত্তর দক্ষিন পূর্ব পশ্চিম গুলিয়ে ফেলি ,হয় এলো মেলো পাডার পাশেই আবর্জনার পাহাড় সেখানেই খুঁজে পাই জীবনের উপাদান। বাজারে বিকোই তাদের। এক মিষ্টি সন্ধ্যার সনধান পাই। পাখি ডাকে গান গাই সূর্যের লাল আভায় আমি স্নান করি ,আবর্জনার পাহাড় আমায় সাহস যোগায় সমতলে আমি পাহাড় খুজেঁ পাই পাহাড় প্রেম আমায় মানায় না

কি লিখি কি লিখি করে যেই মাত্র কলম নিলাম হাতে শব্দেরা সব পিছু চলে যায়, কলমের কালি শেষ হয় , ফোনটার সমস্যা হয় ,কারন খোঁজার চেষ্টা করি বুঝি সব কাজ, সবার জন্য না

কলম কাঁদছে মাধবী রায়21/8/2021কলমের কান্না দেখেছ ?শুনেছ কি সাদা পাতার হাহাকার?আমার যে কলমে অধিকার কাঁদতে দেখেছি তাকেই বহুবার, আমার সেলফের সাদা খাতার পাতাহাহাকার করে অহরহ। শব্দের নতুন নতুন পরিচয়েঅলংকার বানাতে চায়, সে আমার কলম। বেআবরু সাদা বুক এগিয়ে দেয়, সে আমার খাতা।বলে কবিতা কিংবা গল্পে জীবনের ছবি আঁক।অগভীর ভাবনা,অপরিনত ঙগান, অকারন ভয়েআমি অন্য কাজে মন দিঘর গোছাই, রান্না করি,ইতিহাসের প্রশ্ন লিখিকবিতা লিখি না,গল্প লিখি না,রান্নাঘরে যাই।কলমের কান্না, খাতার আর্তনাদে অন্যমনস্ক হয়েছি বহুবার। সব্জিতে নুন, ঝাল দিয়েছি অপরিমিত অনিবার। তবু একটা কবিতা লিখতে পারিনি। কতবার রাগে দুঃখে ঝর-তুফানের মতশব্দ করে বাড়িতে অশান্তি পাকিয়ে ফেলেছি ,কতদিন ফিরেও তাকায় নি আপন জনঅপমানে ,অপমানে আমার শব্দ বানে।তবুও একটা কবিতা বা গল্প লিখতে পারিনি। কবিতার শব্দ কলমে আনতে পারিনি।কলমের ঘাড় ধরে,খাতার পাতা ভরিয়ে তুলেছি।গল্প না ! কবিতা না !সাংসারিক আয় ব্যয়ের, প্রাত্যহিক হিসাব নিকাশ করে।ভিতরে ভিতরে আমিও কেঁদেছি খাতার হাহাকার অন্তর মাঝেজ্বলন্ত ছিল সুদীর্ঘ কাল ধরে,প্রদীপ শিখার মত সত্য করে।"শব্দ পরিচয় সাহিত্য পত্রিকা" তোমায় প্রণাম জানাই। কলম চলেছে শব্দ পরিচয় অভিসারে। কবিতা লিখেছি আমি কলমের কান্না গেছে থেমে।সাদা খাতা হাসছে কিছু শব্দ বুকে নিয়ে "স্তূপাকার একটি অনিয়মিত পত্রিকা"র আমন্ত্রণ পত্র পেয়ে। আজ রাখী পূর্ণিমা এসো কলম ,এসো খাতা মোবাইল এসো আপনার জন সব্বাই "শব্দ পরিচয় সাহিত্য পত্রিকা( স্তূপাকার একটি অনিয়মিত পত্রিকা)র জয় গান গাই।

কারন আমার অজান্তেই ঠাকুরমা তোমার সহ্য শক্তি ,আমার রক্তে লীন হয়ে যেত !!!তোমরা চলে গেছ!!তার ও বয়স অনেক হল!তবুও এখনও সংসারের কূলে ও প্রতিকূলে !আমার অন্তরে থাক!যদি ভুলে যাই,রেগে কষ্ট পাই!নারী সত্ত্বা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে!মনে হয় সব ছেড়ে চলে যাব!সেই রাতে ,সেই বেদনা বিধুর রাতেই, তোমরা দুজনে হাসতে হাসতেই আমার স্বপ্নের মাঝে আসো!!ছুঁতে চাই!ছুঁতে তো পারি না!তোমরা কেবল হাসি মেখে বলো,সহ্য নারীর ভূষণ, স্বামীই আসল বন্ধু, বার্ধক্যের বারানসী!আর আমি!কাক ভোরে সংসারের কাজে নামিবিদ্রোহ! বেদনা !উবে যায় সব!বুঝি সোজা না!সংসারী নারী হওয়া !!তোমাদের কথা,গুপ্ত মন্ত্র যেন!ওঝাদের মত ঝারফুক করে!আমার সকল কষ্ট নিঃশেষ করে দেয়!সবার খাবার শেষে,খেতে বসি পাইনা সব কিছু!খোঁজ নেন নাতোমাদের নাতজামাই!দাদুর মতন ই বলে,একটু সেবা করো!রাগ করিনা আর! মনে হয় না তাকে ,পাষন্ড বেমালুম !!তাকিয়ে থাকি বারানসীর দিকে।এগিয়ে দি কর্ম ক্লান্ত আমার দুটি হাত, নাতজামাই এর দুটি পায়ের দিকে,ক্লান্ত শরীর অবসনন দেহ,মুদে আসে আমার দুটি চোখ, তবুও তার সেবায় ব্যস্ত থাকি!!শুধুমাত্র তোমাদের মন্ত্রে বিশ্বাস রেখে!!সকাল বেলায় দেখা,আমার মাথা তার পায়ের ওপর রাখা।রাগ হয় না আর কেবল হাসি,হাসতে হাসতেই কাঁদি, জানিনাএ হাসি আর কান্নার নাম কি!!নতুন সংসারের সকল নতুন নিয়ম আপন করেছি,বেঁধেছি নতুন ডোরে!পুরোনো সংসারের পুরোনো নিয়ম যত,ফেলে দিয়েছি পুরোনো কাপড়ের ই মত!! পুরোনো সম্পর্ক গুলো তোলা থাকে সব,বদ অভ্যাসের মত!নামাই তাদের নতুন সংসারের খুব প্রয়োজন হলে!অনেক দিন স্বপ্নে আসোনি দুজনে!আমিও কষ্টের কান্না, কাঁদিনী অনেক দিন!আজকে তোমাদের খুশির খবর দেব!তোমাদের ও ভুলে ছিলাম নতুন নিয়মের বশে!এখন তোমার নাতনী পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধা,তোমরা তো জানো,নাতজামাই আমার থেকে অনেকটাই বড়।সে এখন আমার খেয়াল রাখে!আমি তো খেয়াল রাখিই বরাবর,তোমাদের দেওয়া মন্ত্রের মতন করে!সে এখন আমায পরিবার বলে ডাকে!বলে আমিই নাকি সংসারের মূল সুর!আগের দেওয়া যন্ত্রণার কথা মনে করে,লজ্জিত হয় খুব!জানতো ঠাকুরমা,ওর লজ্জায়, আমি ব্যথা পাই খুব!!ঠিক তোমার মতন করে!তোমাদের কথা মনে পড়ছে খুব কারন--- স্বামীই হয়েছে আসল বন্ধু!এখন আমরা দুজনে বারানসীতেই আছি!!

মাটি ও মামাধবী রায়(প্রেরণা এনজিও জন্য)চারা গাছের সাথে মাটির ,মানব শিশুর সাথে মায়ের সমান আকর্ষনে, নিবিড় বন্ধনে সম্পর্ক গুলো বাঁধা!মাটির উর্বর আকর্ষন, বীজকে বৃক্ষ করে,শাখা প্রশাখা দিয়ে দৃঢ় মজবুত ও ঋজু হয়ে দাঁড়াতে শেখায় যেমন মা ঠিক মাটির মত করে মানবিকতার আলো রঙ্গে শিশুমন আলো রঙ্গ করে !মায়ের দেওয়া মানবিক আলোদৃঢ় চেতা, ঋজু ও পরোপকারী পথে শিশুকে এগিয়ে দিলো।উর্বর মাটির সঙ্গে সূর্যের আলো পেয়ে গাছ যেমন সবুজ - সবুজ ,গাঢ সবুজ হয়!বাহারি রঙ্গিন ফুল ফোটে!বাতাসে সুগন্ধ ভাসে!মানব শিশুর ঠিক তেমন মায়ের দেওয়া মানবিক আলোর আলপথে বিদ্যালয়ের শিক্ষা পায়,ভুল করে না আর,কেবলসবার ভালো করতে চায়। উর্বর মাটি,সূর্যের আলো আর বৃষ্টিপাত মিলে মিশেচারাগাছকে ফুলে ফলে পূর্ণ বৃক্ষের পূর্ণ সহাবস্থান দিলে!আনন্দিত আন্তরিক বৃক্ষ তখন পরিশুদ্ধ বায়ু পরিবেশনে ব্যস্ত, পরিবেশে!মাটিকে আকডে ধরে আরও শিকডে শিকডে নিবিড় করেমাটির ক্ষত রোধ করে!মায়ের মানবিকতা শক্তির আলো,বিদ্যালয়ের শিক্ষার আলোও সুপরিবেশ পেয়েমানব শিশুর আলোকিত মনএকদিন পরিনত পবিত্র মানুষ হল,নিবিড় করে জড়িয়ে রাখল বৃদ্ধা মা কে !মাতৃসম সবাই মর্যাদা পায় ঠিক মায়ের মতন করে।বৃদ্ধাশ্রমের ঘর ফাঁকা পড়ে রয়,লতা-পাতা জেগে ওঠে!একদিন বৃদ্ধাশ্রম ভেঙে বৃক্ষ রোপণ হয়!প্রতি দিন হয় মানব উৎসব !একদিন মাত্র মাতৃ দিবস নয!প্রতিদিন হয় বৃক্ষ বন্দনাএকদিন মাত্র বৃক্ষ রোপন দিবস না!

Tandra Banerjee ঈশ্বর প্রেম ঠিক বোঝে,ঈশ্বরের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায় ,তোমার উচ্চারণে, ছবিতে, প্রতি শব্দের কোনায় কোনায়। বাডিযে লিখছি না কিছুই, কল্পনার চোখ!!সে আমার জন্য নয়!!সত্যের জন্য কন্ঠ তোলার সাহস,সংসারের মাঝে থেকেও সাধিকার ই হয়।ভালো থেকো বোন।লিখে যাও খালি,চোখ থেকেও অন্ধ যারা তাদের ঙগান চক্ষু, উন্মিলিত হোক।